জেনে নিন আন্তর্জাতিক বাজারে আজকের স্বর্ণের রেট!! পড়ুন বিস্তারিত…

আন্তর্জাতিক বাজারে আজকের স্বর্ণের রেট জেনে নিন-

এক নজরে দেখে নিনি আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের রেটঃ

( ভরি ==== ১১.৬৬৪ গ্রাম )  

বাংলাদেশঃ 

Loading...

প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম (২২ ক্যারাট)- ১ ভরি = ৪৭.৬৪৭ টাকা

সৌদি আরবে (SAR)

প্রতি গ্রাম স্বর্ণের দাম (২২ ক্যারাট) –  গ্রাম = ৬০ .২৯ সৌদি রিয়্যাল

মালয়েশিয়া (MYR)

প্রতি গ্রাম স্বর্ণের দাম (২২ ক্যারাট) –  গ্রাম = ৭৫. ৩০ মালয়েশিয়ান রিংগিত

বি. দ্রঃ স্বর্ণের রেট যেকোন সময় উঠা–নামা করতে পারে!!

দিনের শুরুতেই দেখে নিন আজকের টাকার রেট কত !

MYR (মালয়েশিয়ান রিংগিত) = 20.92 ৳

SAR (সৌদি রিয়াল) = 22.09 ৳

SGD (সিঙ্গাপুর ডলার) = 62.78 ৳

AED (দুবাই দেরহাম) = 22.55 ৳

KWD (কুয়েতি দিনার) = 275.47 ৳

USD (ইউএস ডলার) = 82.84 ৳

OMR (ওমানি রিয়াল)  = 215.44 ৳

QAR (কাতারি রিয়াল) = 22.75 ৳

BHD (বাহরাইন দিনার) = 220.31 ৳

INR (ইন্ডিয়া রূপি) = 1.26 ৳

EUR (ইউরো) = 101.70 ৳

MVR (মালদ্বীপিয়ান রুপিয়া) = 5.36 ৳

IQD (ইরাকি দিনার) = 0.069 ৳

ZAR (সাউথ আফ্রিকান রেন্ড) = 6.77 ৳

GBP (ব্রিটিশ পাউনড) = 115.42 ৳

যে কোন সময় টাকার রেট উঠা নামা করতে পারে।

মোটর সাইকেল কিনবেন ভাবছেন !! এক নজরে দেখে নিনি আপনার পছন্দের মোটর সাইকেলর দাম কত ?

রেক ব্র্যান্ডের মোটরবাইক পেতে আপনাকে যেতে হবে ঢাকার ইস্কাটন, কাকরাইল ও মগবাজারে। এখানে মূলত ডিলাররা মোটরবাইক বিক্রি করেন। তবে নির্দিষ্ট কোনো ব্র্যান্ডের বাইক কিনতে চাইলে যেতে হবে প্রতিষ্ঠানগুলোর নিজস্ব শোরুমে।

বাজাজঃ বাংলাদেশে সর্বাধিক বিক্রীত ও সবচেয়ে জনপ্রিয় মোটরসাইকেল বাজাজ। বাংলাদেশে বাজাজ মোটরসাইকেলের একমাত্র পরিবেশক উত্তরা মোটর্স লিমিটেড নিজস্ব ১৫টি শাখা অফিস ও ২৩০টি ৩এস (সেলস, সার্ভিস ও স্পেয়ার) ডিলারের মাধ্যমে জনপ্রিয় ১০টি মডেলের বাজাজ মোটরসাইকেল বিক্রি করছে।

বাংলাদেশের বাজারে সর্বপ্রথম এবং নাম্বার ওয়ান স্পোর্টস বাইক বাজাজ পালসার ১৫০সিসির বর্তমান মূল্য ১৭৭৫০০, আর একটু বেশি স্টাইলিস্ট পালসার এস ১৫০সিসি ২২৩৫০০ টাকা।

দেশের সর্বাধিক বিক্রীত ডিসকভার ১২৫সিসি ডিস্কের মূল্য ১৫২৫০০, ড্রাম ১৪১৫০০ এবং ডিসকভার ১০০ সিসির মূল্য ১২৯৫০০।

বর্তমান যুগের হাল ফ্যাশন ক্রুজ বাইক অ্যাভেঞ্জার ১৫০সিসির মূল্য ১৯৯৫০০ এবং মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিবিজড়িত বাজাজ ভি ১৫০সিসি ১৬৭৫০০।

এ ছাড়া প্লাটিনা ১০০ ইএস ১১৭৫০০, প্লাটিনা ১০০ কেএস ১০৬৫০০ এবং সিটি ১০০-এর বর্তমান মূল্য ৯৫৫০০ টাকা।

ইয়ামাহাঃ

ইয়ামাহা যেহেতু একটি আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ড, সেহেতু বাজারে এটির চাহিদাও ব্যাপক। বাংলাদেশে তরুনদের কাছে সবচেয়ে জনপ্রিয় ইয়ামাহার এফজেড-এস ও  ফ্রেজার। তাই এগুলোর চাহিদাটা একটু বেশি।

তবে ইয়ামাহার তিন-চারটির মতো মডেল এ দেশে পাওয়া যায়। সবগুলোরই দাম একটু বেশি। সবচেয়ে দাম বেশি ওয়াইজেডএফ আর১৫ ভার্সন-২ মডেলের বাইকটির। এটির দাম ৪৮০০০০ টাকা। এই মডেলের মোটরসাইকেলের মধ্যে ওয়াইজেডএফ আর১৫ ভার্সন ১.৫ মডেলের বাইকের দাম পড়বে ৪৪০০০০ টাকা।

এছাড়া অন্যান্য মডেলের মোটরসাইকেলের মধ্যে ফেজার এফ-১ ভার্সন-২ মডেলের বাইকের দাম পড়বে ২৭৫০০০টাকা।

এছাড়া এফজেডএস এফ-১ ভার্সন-২ এর দাম ২৫৫০০০ টাকা। আর এফজেডএস এফ-১ ভার্সন-২ (এসই) এর দাম ২৬৫০০০টাকা।

এসজেডআরআর ভার্সন২ ১৯০০০০, এসজেডআরআর ভার্সন২ (এসই) ১৯৫০০০, সেল্যুটো ড্রাম ১৪৫০০০, সেল্যুটো ডিস্ক ১৫২০০০ এবং সেল্যুটো ডিস্ক (এসই) ১৫৫০০০ টাকা।

টিবিএসঃ গত মাসে প্রতিষ্ঠানটি টিভিএসের মেট্রো ও টিভিএস অ্যাপাচি আরটআরের দাম কমিয়েছিল। একমাসের ব্যবধানে ফের প্রতিষ্ঠানটির উৎপাদিত বাইকের দাম কমানো হলো।এখন থেকে টিভিএসের সকল ডিলার ও পরিবেশকদের কাছে হ্রাসকৃতমূল্যে টিভিএসের বাইক পাওয়া যাবে।

TVS Kick Master

নতুন দাম অনুসারে জনপ্রিয় বাইক মেট্রো ১০০ কিক স্টার্টার চার হাজার টাকা কমে এখন ৯৫ হাজার ৯০০ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে। অন্যদিকে মেট্রো সেলফ স্টার্টার পাওয়া যাচ্ছে ১ লাখ ৪ হাজার টাকা। এই বাইকটির আগের দাম ছিল ১ লাখ ৯ হাজার টাকা। টিভিএস এক্সএল-এর দাম ৫৯ হাজার ৯০০ টাকা। এর পূর্বমূল্য ছিল ৬৪ হাজার ৯০০ টাকা।

ড্রাম ব্রেকের মেট্রো প্লাস ১ লাখ ২৩ হাজার ৯০০ টাকা থেকে কমে এখন বিক্রি হচ্ছে ১ লাখ ১৮ হাজার ৯০০ টাকায়। ডিস্ক ব্রেকের মেট্রো প্লাস এখন মিলছে ১ লাখ ২৯ হাজার টাকায়। এর পূর্বমূল্য ছিল ১ লাখ ৩৭ হাজার ৯০০ টাকা।

স্পোর্টসবাইক আরটিআর ম্যাট সিরিজের আগের দাম ছিল ১ লাখ ৮৪ হাজার ৯০০ টাকা। বাইকটি এখন ১ লাখ ৭৬ হাজার ৯০০ টাকায়। অ্যাপাচি আরটিআর সিঙ্গেল ডিস্কের দাম ১ লাখ ৭৯ হাজার ৫০০ টাকা থেকে কমে এখন ১ লাখ ৭২ হাজার ৯০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। অন্যদিকে ডুয়েল ডিস্ক ব্রেক ভার্সনের দাম ১৩ হাজার টাকা কমে ১ লাখ ৮৫ হাজার ৯০০ টাকায় পাওয়া যাবে। এ ভার্সনটির আগের দাম ছিল ১ লাখ ৯৮ হাজার ৫০০ টাকা।

TVS Apache RTR

টিভিএস স্ট্রাইকার এখন ৮ হাজার টাকা কমে দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ২৯ হাজার ৯০০ টাকায়।

হিরোঃ দেশের বাজারে হিরো মোটরসাইকেলের দাম কমালো এর পরিবশেক নিলয় মোর্টস লিমিটেড।এখন থেকে পরবর্তী ঘোষণা না দেয়া পর্যন্ত পাঁচটি মডেলের মোটরসাইকেল হ্রাসকৃত মূল্যে কেনা যাবে। এছাড়াও কিস্তি সুবিধা নিয়েও হিরোর মোটরসাইকেল কেনার সুযোগ রয়েছে।

হিরো গ্লামার ডিস্কঃ-সেলফ সম্বলিত এই বাইকটির পূর্বের দাম ছিল ১ লাখ ৩১ হাজার ১০০ টাকা। এটি এখন মিলছে ১ লাখ ২৪ হাজার ৯৯০ টাকায়।

অন্যদিকে তারুণের ক্রেজ হিরো হাঙ্গ ডিস্কঃ-সেলফ স্টার্টার সমৃদ্ধ বাইকটি ১ লাখ ৬৯ হাজার টাকা থেকে কমিয়ে ১ লাখ ৫৯ হাজার ৯৯০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

সেলফ স্টার্টার ও অ্যালয় রিমের বাইক হিরো স্প্লেন্ডর প্লাসঃ এখন বিক্রি হচ্ছে ১ লাখ ১ হাজার ৯৯০ টাকায়। এই বাইকটির পূর্বের মূল্য ছিল ১ লাখ ৮ হাজার ১০০ টাকা।

অন্যদিকে স্মার্ট ফিচার সমৃদ্ধ বাইক হিরো আইস্মার্টঃ বাইকটির দাম ১ লাখ ২১ হাজার ১০০ টাকা থেকে কমে এখন বিক্রি হচ্ছে ১ লাখ ১৪ হাজার ৯৯০ টাকায়।

এছাড়াও সেলফ স্টার্ট সমৃদ্ধ এইচএফ ডিলাক্সঃ বাইকটি এখন পাওয়া যাচ্ছে ১ লাখ ৯৯০ টাকায়। এই বাইকটির পূর্বমূল্য ছিল ১ লাখ ৭ হাজার ১০০ টাকা।

সবচেয়ে বড় সুবিধা হচ্ছে আপনি চাইলে ছয় মাস ও ১২ মাসের কিস্তিতেও হিরোর মোটরসাইকেল কেনা যাবে।

বিস্তারিতঃ +8809666745745 অথবা http://bit.ly/HeroBike 

যোগাযোগঃ A.B Auto Traders

220/1 West Kafrul, Begum Rokeya

Sarani, Mirpur, Dhaka

M: 01711592560

E: abtraders2843@gmail.com

রানারঃ রানার কম্পানির বিভিন্ন মোটরবাইকের বাজার দর এখানে দেওয়া হলো। ডায়াং রানার এডি৮০এস (অ্যালয় রিম) ৮১০০০, ডায়াং রানার এডি৮০এস ডিলাক্স ৮৩০০০, ডায়াং রানার বুলেট ১০৫০০০, ফ্রিডম রানার এফ ১০০-৬এ ৮৮০০০, ফ্রিডম রানার রয়্যাল+ ১০১০০০, ফ্রিডম রানার টারবো ১৪০০০০, রানার টারবো-১২৫ ১৩০০০০, এলএমএল ফ্রিডম ১২৫০০০, রানার চিতা ৮৫০০০, রানার নাইট রাইডার ১৫৬০০০ এবং রানার কাইট+ ৮৬০০০ টাকা।

মাত্র ৫-৬ লাখ টাকা খরচে নির্মাণ করুন মজবুত ও টেকসই বাড়ী, জেনে নিন বিস্তারিত…

কোথা থেকে ইট আসবে, কোথা থেকে পাথর, কোন কোম্পানির রড ভালো, কোন সিমেন্টে অ্যাশ কম— নতুন বাড়ি তৈরির আগে এমন হাজারো প্রশ্নের সম্মুখীন হয় বাড়ির মালিকেরা। পাশাপাশি প্রকৌশলীদের ডিজাইনিং নিয়ে ঠিকাদারের কারচুপি, ১০ লাখ টাকার খরচ পৌঁছায় ১৪ লাখ টাকায়। এমন পরিস্থিতিতে বাড়ি অর্ধেক নির্মাণের পর কাজ বন্ধ রাখতে হয় মালিকপক্ষকে।

এমন ঝামেলা থেকে মুক্তি দিতে উন্নত বিশ্বের দেশগুলোর মতে বাংলাদেশে নতুন প্রযুক্তির বাড়ি নির্মাণ উপকরণ নিয়ে এসেছে অ্যাডভান্সড ডেভেলপমেন্ট টেকনোলজিস লিমিটেড। তাপ নিরোধক, পরিবেশবান্ধব, হাল্কা, দ্রুত স্থাপনযোগ্য এক্সপ্যান্ডেড পলিস্টিরিন স্যান্ডউইচ (ইপিএস) প্যানেল ব্যবহার করে বানানো যাবে ঘর। যার মাধ্যমে ৪ জন শ্রমিক ৬ থেকে ৭ ঘণ্টা পরিশ্রমেই একতলা বাড়ি নির্মাণ করতে পারে। প্রকারভেদে খরচ পড়বে ৭ লাখ টাকা থেকে ১১ লাখ টাকা পর্যন্ত।

জানা যায়, পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে ব্যাপক জনপ্রিয় তাপ নিরোধক এই ইপিএস শিট দিয়ে ৬ থেকে ৭ ঘণ্টায় একটি বাড়ি নির্মাণ করা যাবে। এ ছাড়া এটি খুব সহজেই স্থানান্তরও করা যায়। উচ্চ গুণগত মানসম্পন্ন এ ধরনের প্যানেল বিভিন্ন ধরনের শিল্পস্থাপনা, অবকাঠামো, ওয়ার্ক স্টেশন এনক্লোজার এবং শেড, ওষুধ কোম্পানি, পোশাক শিল্প ইন্ডাস্ট্রিজ, কোল্ড স্টোরেজ, শব্দনিরোধী মিলনায়তন, থিয়েটার হাউস, উপকূলীয় অঞ্চলে আশ্রয়কেন্দ্র, ভাসমান আবাসনসহ তাপ সহনীয় এবং শব্দহীন দেয়ালের জন্য পরিবেশগতভাবে আদর্শ ও উপযোগী।

অ্যাডভান্সড ডেভেলপমেন্ট টেকনোলজিস ঢাকার অদূরে মুন্সিগঞ্জে ৫৫ হাজার বর্গমিটার এলাকাজুড়ে কারখানা স্থাপন করেছে। এতে প্রতিবছর প্রায় ৬০ লাখ এসএফটি শিট ও ৫ লাখ বর্গফুট এক্সপ্যান্ডেড পলিস্টিরিন স্যান্ডউইচ (ইপিএস) প্যানেল তৈরি করে। ২০১৩ সাল থেকে কোম্পানিটি বিভিন্ন ধরনের শিল্পস্থাপনা ও অবকাঠামো উন্নয়ন কাজ করছে।

এর মধ্যে কোম্পানিটি প্রাণ বেভারেজ লিমিটেড, প্রাণ ডেইরি লিমিটেড, নাটোর এগ্রো লিমিটেড, প্রাণ ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্ক লিমিটেড, নাসির গ্লাস ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড, ইউনাইটেড গ্রুপ ডিইপিজেড অ্যান্ড সিইপিজেড, এনার্জি প্যাক লিমিটেড, ইং ওয়াং গ্যামেন্ট এক্সেসরিজ লিমিটেড, ঢাকা সাউথ পাওয়ার জেনারেশন (ডোরিন পাওয়ার), ড্যাফোডিল ইউনিভার্সিটি (প্রধান শাখা), এমবাসি অব দ্য ইউনাইটেড স্টেটস অব আমেরিকাসহ প্রায় ২০০টি কোম্পানি ও প্রতিষ্ঠানের কারখানা, গুদামঘর, অফিস তৈরি করেছে।

অ্যাডভান্সড ডেভেলপমেন্ট টেকনোলজিসের কর্মকর্তা আশিকুল আলম জানান, এই পদ্ধতিতে বাড়ি তৈরি করলে ইটের চেয়ে অল্প খরচ হবে। ভবন তৈরির সময় প্যানেল টু প্যানেল হুকিং সিস্টেমে লাগানো হয়। ফলে এটি সহজে প্রতিস্থাপনযোগ্য। ইউরোপ থেকে আমদানিকৃত কাঁচামালের মাধ্যমে ইপিএস প্যানেল তৈরি করা হয়।

ইপিএস প্যানেল টিনের বিকল্প হওয়া এতে জং ধরার কোনো শঙ্কা নেই। কোম্পানিটি ইপিএস শিটের জন্য ৪০ বছরের গ্যারান্টি দিচ্ছে ও এর কালারের স্থায়ীত্বের জন্য ১৫ বছরের গ্যারান্টি দিচ্ছে।

তিনি আরো বলেন, ইপিএস প্যানেল তাপ ও শব্দ নিরোধক হওয়ায় দিনের বেলায় ঘরের বাইরের তাপমাত্রার তুলনায় ভেতরের তাপ মাত্র ৭ থেকে ৮ ডিগ্রি কম হবে।

এ প্রসঙ্গে টেকনিক্যাল ডিরেক্টর এস এম রিফাত রেজা হোসেন পরিবর্তন ডটকমকে বলেন, টিনের পরিপূরক হিসাবে আমরা দেশে এসএফটি ইপিএস প্যানেল নিয়ে এসেছি। এ উপকরণটি ব্যবহারের ফলে বাইরে থেকে ঘরে তাপ প্রবেশ করতে পারে না, একইভাবে ঘর থেকেও তা বের হতে পারে না। যেহেতু ঘর তাপ প্রবেশ করতে পারে না। ফলে ঘর থাকবে এসির মতো ঠাণ্ডা। বাংলাদেশে এখন বছরের ৯ মাসেই গরম আবহাওয়া বিরাজ করছে। এমন পরিস্থিতিতে এ প্রযুক্তিটি দেশের প্রত্যেক শ্রেণীপেশার মানুষের উপকারে আসবে।

তিনি বলেন, ২০১৩ সালের শেষ দিক থেকে আমরা ইপিএস প্যানেলের মাধ্যমে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও কারখানা স্থাপনের কাজ শুরু করি। এরই মধ্যে আমরা ব্যাপক সাড়া পেয়েছি। এরই ধারাবাহিকতায় ২০১৭ সালের জানুয়ারি থেকে আমরা আবাসিক ভবন তৈরির কাজ শুরু করব।

রিফাত রেজা বলেন, আমাদের প্রযুক্তি ব্যবহার করে বহুতল বিল্ডিং তৈরি সম্ভব। যেহেতু ইপিএস শিটের ওজন ৭৫০ গ্রাম (প্রতি বর্গফুট)। ফলে বাড়ি মালিক ইচ্ছে করলেই বাড়িটি খুলে নতুন জায়গায় পুনঃনির্মাণ করতে পারবে।

এদিকে কোম্পানিটির ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কে তিনি বলেন, বন্যাকবলিত আমাদের এ দেশে ইপিএস প্যানেলের মাধ্যমে ভাসমান বাড়ি ও জমি তৈরি করা আমাদের লক্ষ্য। এতে করে কৃষক তার ঘর ও ফসলি জমি উভয় নিরাপদ রাখতে পারবে।

About চীপ ইডিটর

View all posts by চীপ ইডিটর →

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.